শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের ৮৫% শিশুই বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্তসেই ‘পুলিশের ভিক্ষুক মায়ে’র দায়িত্ব নিতে চান এসআই বশিরআজ শুভ মহালয়া : চণ্ডীপাঠে দেবী দুর্গাকে আবাহনআঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যতায় জনস্রোতে মিশে যাচ্ছে রোহিঙ্গারাকোন সতর্কবার্তায় আমরা ভীত নই –সুচিরোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন-ফ্রান্সের আহবানরোহিঙ্গাদের দূদর্শার কারণ আরসা বা আল ইয়াকিনবাংলাদেশকে সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমাররোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে আমার দেশের মানুষ —প্রধানমন্ত্রীরোহিঙ্গারা পাহাড় কাটায় অপূরণীয় ক্ষতিতে কক্সবাজারদেবী দুর্গার আগমনে ব্যস্ত কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরাপিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের শুভ সূচনাজেলা হিন্দু পরিষদের সম্পাদকের মাতার মৃত্যুতে শোকনতুন অফিস বাজারে সাব ইজারাদারদের দৌরাত্ম ॥ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাপেকুয়ায় গাঁজাসহ নারী আটক

বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় প্রশংসা যুক্তরাষ্ট্রের

97737731_state.jpg

সাগরকণ্ঠ ডটকম ডেস্ক :

মিয়ানমার থেকে আসা ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মানবিক সহায়তা দেয়া ও সহায়তা পৌঁছানোর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

একই সাথে এক বিবৃতিতে রাখাইনে সন্ত্রাসী হামলা ও গ্রামগুলোতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের পটভূমিতে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গার বাংলাদেশে এসেছে বলে জাতিসংঘ যে খবর দিয়েছে তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটি।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয় বিষয়টি নিয়ে তারা জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, রেডক্রসসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

বিবৃতিতে জানানো হয় ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের মানবিক সহায়তায় এ পর্যন্ত প্রায় ৬৩ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র ভিভিয়ান ট্যান বিবিসি বাংলাকে ৮ই সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন গত দু সপ্তাহে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ২ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী।

মাত্র দুদিন আগেও জাতিসংঘের কর্মকর্তারা সর্বশেষ দফায় আসা শরণার্থীর সংখ্যা এক লাখ ৬২ হাজার বলে উল্লেখ করছিলেন।

মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে শরণার্থীর সংখ্যা এক লাখ বেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে ভিভিয়ান ট্যান বলেন, গত দুই দিনে তারা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া আরও অনেক শরণার্থীদের সন্ধান পেয়েছেন, যাদের কথা তারা আগে জানতেন না।

তিনি বলেন, “সেপ্টেম্বরের ছয় ও সাত তারিখে জাতিসংঘের সব সংস্থা এবং বিভিন্ন এনজিওর একটি যৌথ দল সীমান্তের যেসব এলাকায় শরণার্থীরা এসেছে বলে খবর পাওয়া গেছে সেসব এলাকায় গেছে। সেসময় তারা অনেক নতুন শরণার্থী দলের সন্ধান পেয়েছেন। এসব শরণার্থীরা মূলত আছে বিভিন্ন সীমান্তবর্তী গ্রামে। তারা যেখানেই থাকার মতো জমি পেয়েছে, সেখানেই থাকছে।”

শরণার্থীদের যেভাবে স্থানীয় গ্রামবাসীরা আশ্রয় দিচ্ছেন তার প্রশংসা করে ভিভিয়ান ট্যান বলেছিলেন, তারা যথেষ্ট উদারতার পরিচয় দিচ্ছেন।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

PinIt
Top