শিরোনামঃ
কক্সবাজার শহরের একই পরিবারের চারজনের আত্মহত্যাখুনিয়াপালংয়ের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলম আর নেইকুমিল্লার বুড়িচং র‌্যাব-৭’র অভিযানে ফেন্সিডিলসহ আটক-১উখিয়ায় র‌্যাব-৭’র অভিযানে অস্ত্রসহ আটক- ২ফেনীতে র‌্যাব-৭’র অভিযান অপহৃত উদ্ধার, আটক- ২বদরখালীর পুকুরে লাশ, রহস্য কী জনমনে প্রশ্ন?পেকুয়ার কেপিএলের ১২তম ম্যাচে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ড্রাগন্সবদরখালী নৌ পুলিশের অভিযানে কারেন্ট জাল উদ্ধারপেকুয়ায় বালি পরিবহনে বিলুপ্তির পথে সোনাইছড়ি সড়কপেকুয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বৈঠক ডেকেছে আওয়ামীলীগরামুতে বসত বাড়ীতে আগুন ও মালমাল লুটপাটচট্টগ্রাম আ’লীগ সভাপতির সাথে পরিবহন শ্রমিকলীগ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাতবঙ্গবন্ধু কন্যার সাহসী নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে আজ বাংলাদেশপেকুয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় আসামী আওয়ামীলীগ কর্মীলাইভ ফিস ফ্রাই খেতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভীর

আরসা’র অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

ARSA-MIANMAR.jpg

মিয়ানমার পতাকা ও আরসার পতাকা

 সাগরকণ্ঠ ডটকম ডেস্ক :
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম বিদ্রোহীদের ঘোষিত এক মাসের অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির সরকার। দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচির মুখপাত্র একটি টুইটবার্তায় বলেছেন, সরকার ‘সন্ত্রাসীদের’ সঙ্গে কোন মধ্যস্থতা করবে না। খবর বিবিসির। খবরে বরা হয়, গতকাল রোববার থেকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমান বিদ্রোহীরা একতরফাভাবেই এক মাসের জন্য অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দেয়।

এক বিবৃতিতে বিদ্রোহীরা বলছে, তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে অস্ত্রবিরতি করবে। আরসা বা আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি শনিবার দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে অস্ত্রবিরতির এই ঘোষণা দেয়। গত ২৫ অগাস্ট পুলিশের উপর এই আরসার চালানো হামলার প্রতিক্রিয়াতেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়, যার কারণে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত আছে। বহু রোহিঙ্গা নিহত হচ্ছে। সীমান্তের দুপাড় জুড়েই তৈরি হয়েছে এক মানবিক পরিস্থিতি। এরকম পরিস্থিতিতেই আরসা’র তরফ থেকে একতরফাভাবে এই অস্ত্রবিরতির ঘোষণা আসে। তারা সাহায্যকারী সংস্থাগুলোতে রাখাইন এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করারও আহ্বান জানায়। অবশ্য রাখাইনের সহিংসতা প্রসঙ্গে মিয়ানমারের সরকারের বক্তব্য তাদের ভাষায়, রোহিঙ্গা জঙ্গি এবং মুসলমান গ্রামবাসীরা নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং অমুসলিমদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এদের অনেকেই সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিবিসির একজন সংবাদদাতা গত বৃহস্পতিবার রাখাইনে গিয়ে দেখেছেন, সেখানে একটি মুসলমান গ্রাম জ্বলছে, যেটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে রাখাইনের একদল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এই ঘটনাটি রাখাইনে চলমান সহিংসতা সম্পর্কে মিয়ানমারের সরকারী বক্তব্যের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক।

PinIt
Top