শিরোনামঃ
পেকুয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হল নিহত মানিকের মরদেহমহেশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী জাম্বু নিহত, অস্ত্র উদ্ধারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রংপুরের প্রকৃত ঘটনার উদঘাটন করতে হবে–অধ্যাপক চন্দনদৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদকের মৃত্যুতে শোকরামুতে অপহৃত যুবক রুবেল দশ ঘন্টার পর উদ্বারভূমিদস্যুদের খুঁটির জোর কোথায়? কালারমারছড়া-শাপলাপুর সড়কে বালি লুট থামানো যাচ্ছেনা!ধম্মকায়া ফাউন্ডেশনের সাথে বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময়সংবাদপত্রের অবাধ মত প্রকাশে শেখ হাসিনার সরকার কখনো হস্তক্ষেপ করেনিপেকুয়ায় জমির ফসল লুটপেকুয়ায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় পরীক্ষার্থীসহ আহত-৭পেকুয়ায় অগ্নিকান্ডে আরবশাহ বাজারে ৬ টি দোকান ভস্মীভূতকক্সবাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযানে টমটম আটকসন্ত্রাসী কর্তৃক বন্ধ করা দোকানের তালা খুলেছে মালিকরাচকরিয়ায় ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকক্সবাজার শংকরমঠ ও মিশনের সভা অনুষ্ঠিত

আরসা’র অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান মিয়ানমারের

ARSA-MIANMAR.jpg

মিয়ানমার পতাকা ও আরসার পতাকা

 সাগরকণ্ঠ ডটকম ডেস্ক :
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম বিদ্রোহীদের ঘোষিত এক মাসের অস্ত্রবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটির সরকার। দেশটির ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচির মুখপাত্র একটি টুইটবার্তায় বলেছেন, সরকার ‘সন্ত্রাসীদের’ সঙ্গে কোন মধ্যস্থতা করবে না। খবর বিবিসির। খবরে বরা হয়, গতকাল রোববার থেকে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমান বিদ্রোহীরা একতরফাভাবেই এক মাসের জন্য অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দেয়।

এক বিবৃতিতে বিদ্রোহীরা বলছে, তারা রাখাইনে মানবিক সংকট বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তারা আশা করছে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীও সেখানে অস্ত্রবিরতি করবে। আরসা বা আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি শনিবার দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে অস্ত্রবিরতির এই ঘোষণা দেয়। গত ২৫ অগাস্ট পুলিশের উপর এই আরসার চালানো হামলার প্রতিক্রিয়াতেই রাখাইনে সেনা অভিযান শুরু হয়, যার কারণে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। শরণার্থীর স্রোত এখনো অব্যাহত আছে। বহু রোহিঙ্গা নিহত হচ্ছে। সীমান্তের দুপাড় জুড়েই তৈরি হয়েছে এক মানবিক পরিস্থিতি। এরকম পরিস্থিতিতেই আরসা’র তরফ থেকে একতরফাভাবে এই অস্ত্রবিরতির ঘোষণা আসে। তারা সাহায্যকারী সংস্থাগুলোতে রাখাইন এলাকায় তাদের কর্মকাণ্ড শুরু করারও আহ্বান জানায়। অবশ্য রাখাইনের সহিংসতা প্রসঙ্গে মিয়ানমারের সরকারের বক্তব্য তাদের ভাষায়, রোহিঙ্গা জঙ্গি এবং মুসলমান গ্রামবাসীরা নিজেরাই নিজেদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং অমুসলিমদের উপর হামলা চালাচ্ছে। এদের অনেকেই সহিংসতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিবিসির একজন সংবাদদাতা গত বৃহস্পতিবার রাখাইনে গিয়ে দেখেছেন, সেখানে একটি মুসলমান গ্রাম জ্বলছে, যেটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে রাখাইনের একদল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এই ঘটনাটি রাখাইনে চলমান সহিংসতা সম্পর্কে মিয়ানমারের সরকারী বক্তব্যের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক।

PinIt
Top