শিরোনামঃ
পেকুয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হল নিহত মানিকের মরদেহমহেশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী জাম্বু নিহত, অস্ত্র উদ্ধারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রংপুরের প্রকৃত ঘটনার উদঘাটন করতে হবে–অধ্যাপক চন্দনদৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদকের মৃত্যুতে শোকরামুতে অপহৃত যুবক রুবেল দশ ঘন্টার পর উদ্বারভূমিদস্যুদের খুঁটির জোর কোথায়? কালারমারছড়া-শাপলাপুর সড়কে বালি লুট থামানো যাচ্ছেনা!ধম্মকায়া ফাউন্ডেশনের সাথে বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময়সংবাদপত্রের অবাধ মত প্রকাশে শেখ হাসিনার সরকার কখনো হস্তক্ষেপ করেনিপেকুয়ায় জমির ফসল লুটপেকুয়ায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় পরীক্ষার্থীসহ আহত-৭পেকুয়ায় অগ্নিকান্ডে আরবশাহ বাজারে ৬ টি দোকান ভস্মীভূতকক্সবাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযানে টমটম আটকসন্ত্রাসী কর্তৃক বন্ধ করা দোকানের তালা খুলেছে মালিকরাচকরিয়ায় ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকক্সবাজার শংকরমঠ ও মিশনের সভা অনুষ্ঠিত

নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের দেখে প্রধানমন্ত্রী আবেগাপ্লুত

PM.jpg

রোহিঙ্গা শিশুকে আদর করছেন প্রধানমন্ত্রী

 অজিত কুমার দাশ হিমু :

মিয়ানমারের সরকারী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দেখে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমার সরকারের অত্যাচার ও নির্দয় আচরণের কঠোর সমালোচনা করে বলেন ‘মিয়ানমারে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে তাতে কি তাদের বিবেককে নাড়া দেয় না? একজনের ভুলে এভাবে লাখ লাখ মানুষ ঘরহারা হচ্ছে। আমরা শান্তি চাই।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১৬ কোটি মানুষের দেশ। সবার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছি। সেখানে আরও ২/৫/৭ লাখ মানুষকেও খেতে দিতে পারবো।’ ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও আমাদের মানুষদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মানুষ উপায় না পেয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। তাই আমাদের যতটুকু সামর্থ আছে সাহায্য করছি। এ বিষয়ে আমরা কমিটিও করে দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের খাদ্য, আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। আমি রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি। তবে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের যা করার দরকার আমরা সেটি করবো।’


এ সময় তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, ‘এখন যারা যুবক তারা হয়তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেননি। কিন্তু আমরা দেখেছি। তাই রোহিঙ্গাদের যেন কোনও কষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতার কারণে গত ১৫ দিনে সে দেশ থেকে তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। এ পরিসংখ্যান লাফিয়ে দিনে প্রায় ২০ হাজার করে বাড়ছে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র জোসেফ ত্রিপুরা বলেন, গত ২৫ আগস্ট থেকে প্রায় দুই লাখ ৯০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে।

গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে একসঙ্গে ২৪টি পুলিশ ক্যাম্প ও একটি সেনা আবাসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ‘বিদ্রোহী রোহিঙ্গাদের’ সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এ হামলার দায় স্বীকার করে। এ ঘটনার পর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুদের ওপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে।

PinIt
Top