শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের ৮৫% শিশুই বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্তসেই ‘পুলিশের ভিক্ষুক মায়ে’র দায়িত্ব নিতে চান এসআই বশিরআজ শুভ মহালয়া : চণ্ডীপাঠে দেবী দুর্গাকে আবাহনআঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যতায় জনস্রোতে মিশে যাচ্ছে রোহিঙ্গারাকোন সতর্কবার্তায় আমরা ভীত নই –সুচিরোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন-ফ্রান্সের আহবানরোহিঙ্গাদের দূদর্শার কারণ আরসা বা আল ইয়াকিনবাংলাদেশকে সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমাররোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে আমার দেশের মানুষ —প্রধানমন্ত্রীরোহিঙ্গারা পাহাড় কাটায় অপূরণীয় ক্ষতিতে কক্সবাজারদেবী দুর্গার আগমনে ব্যস্ত কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরাপিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের শুভ সূচনাজেলা হিন্দু পরিষদের সম্পাদকের মাতার মৃত্যুতে শোকনতুন অফিস বাজারে সাব ইজারাদারদের দৌরাত্ম ॥ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাপেকুয়ায় গাঁজাসহ নারী আটক

মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

untitled-1-86356.jpg
উখিয়া প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে। মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফেরত নেয়ার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে পৌঁছেন তিনি। কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী শিবির পরিদর্শন শেষে সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে কাজ করছে সরকার। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সম্প্রদায়ের প্রতি ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা যতদিন নিজেদের দেশে ফিরতে না পারবে, ততদিন বাংলাদেশ তাদের পাশে থাকবে। ত্রাণ বিতরণের অজুহাতে কেউ যাতে নিজেদের আখের গোছাতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, মানবিক দিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমার সরকারের অত্যাচার ও নির্দয় আচরণের কঠোর সমালোচনা করেন। পরে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তা পেপ্পি সিদ্দিক ছাড়াও, সরকারের একাধিক মন্ত্রী।
এর আগে সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়কপথে উখিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ত্রাণ গ্রহণ করতে এরইমধ্যে সেখানে শরণার্থী রোহিঙ্গারা সমবেত হয়েছে।
গত ২৫ আগষ্ট থেকে মিয়ানমারে রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনী দমন-নিপীড়ন শুরু করলে রোহিঙ্গা বাংলাদেশ প্রবেশ করে। যার সংখ্যা বর্তমানে তিন লাখের বেশি ।
PinIt
Top