শিরোনামঃ
কক্সবাজার শহরের একই পরিবারের চারজনের আত্মহত্যাখুনিয়াপালংয়ের সাবেক মেম্বার মোহাম্মদ আলম আর নেইকুমিল্লার বুড়িচং র‌্যাব-৭’র অভিযানে ফেন্সিডিলসহ আটক-১উখিয়ায় র‌্যাব-৭’র অভিযানে অস্ত্রসহ আটক- ২ফেনীতে র‌্যাব-৭’র অভিযান অপহৃত উদ্ধার, আটক- ২বদরখালীর পুকুরে লাশ, রহস্য কী জনমনে প্রশ্ন?পেকুয়ার কেপিএলের ১২তম ম্যাচে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ড্রাগন্সবদরখালী নৌ পুলিশের অভিযানে কারেন্ট জাল উদ্ধারপেকুয়ায় বালি পরিবহনে বিলুপ্তির পথে সোনাইছড়ি সড়কপেকুয়ায় উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বৈঠক ডেকেছে আওয়ামীলীগরামুতে বসত বাড়ীতে আগুন ও মালমাল লুটপাটচট্টগ্রাম আ’লীগ সভাপতির সাথে পরিবহন শ্রমিকলীগ নেতৃবৃন্দের সাক্ষাতবঙ্গবন্ধু কন্যার সাহসী নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে আজ বাংলাদেশপেকুয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় আসামী আওয়ামীলীগ কর্মীলাইভ ফিস ফ্রাই খেতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ভীর

দেবী দুর্গার আগমনে ব্যস্ত কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরা

cox-pic-20-09-2016.jpg

প্রতিমা নির্মাণে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পী

অজিত কুমার দাশ হিমু :

ক’দিন বাদেই মহালয়ার মধ্যদিয়ে দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে মর্তলোকে। শুরু হবে ২৫ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমী তিথিতে দেবীর বোধনের মধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরা। পরম যত্নে মূর্তিগুলোতে অবয়ব দিতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এবারের পূজাকে আরো রঙিন করে তুলতে অপরূপ সুন্দর সব প্রতিমা তৈরি করছেন তারা।

এখন চলছে খড় আর কাদা মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করেও সঠিক পারিশ্রমিক না পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করেন মৃৎশিল্পীরা। তাই ইতোমধ্যে অনেকই বাপ-দাদার এ পেশা বদলে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে আর্থিকভাবে লাভবান না হলেও পৈত্রিক পেশা ধরে রাখতে এ কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা।

কক্সবাজারের মৃত শিল্পী মিল্টন ভট্টচার্য্য জানান, নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে এইভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পরবর্তীতে আমাদের সন্তানদের একাজ করতে দেওয়া যাবে না। কারণ হলো বর্তমান যে যুগ, জিনিস পত্রের দাম বেশী। কিন্তু আমরা সেভাবে মূল্য পাচ্ছি না। তার অভিযোগ বর্তমানে কাচাঁমালের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিমা তৈরি করে খুব একটা লাভবান হতে পারছেন না মৃৎ শিল্পীরা।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ জানালেন, আসন্ন দুর্গাপূজার সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ চলছে এখন। প্রতিমা তৈরির কারিগরদের পাশাপাশি পূজায় সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসন।

জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ উৎসব। এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। নিরাপত্তার ব্যাপারে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হবে।

এ উৎসব জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের। এ উৎসবে সকলকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান তিনি। এবার দেবীর আগমন নৌকায় আর প্রস্থান হবে ঘোড়া বাহনে চড়ে।

PinIt
Top