শিরোনামঃ
পেকুয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হল নিহত মানিকের মরদেহমহেশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী জাম্বু নিহত, অস্ত্র উদ্ধারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রংপুরের প্রকৃত ঘটনার উদঘাটন করতে হবে–অধ্যাপক চন্দনদৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদকের মৃত্যুতে শোকরামুতে অপহৃত যুবক রুবেল দশ ঘন্টার পর উদ্বারভূমিদস্যুদের খুঁটির জোর কোথায়? কালারমারছড়া-শাপলাপুর সড়কে বালি লুট থামানো যাচ্ছেনা!ধম্মকায়া ফাউন্ডেশনের সাথে বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময়সংবাদপত্রের অবাধ মত প্রকাশে শেখ হাসিনার সরকার কখনো হস্তক্ষেপ করেনিপেকুয়ায় জমির ফসল লুটপেকুয়ায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় পরীক্ষার্থীসহ আহত-৭পেকুয়ায় অগ্নিকান্ডে আরবশাহ বাজারে ৬ টি দোকান ভস্মীভূতকক্সবাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযানে টমটম আটকসন্ত্রাসী কর্তৃক বন্ধ করা দোকানের তালা খুলেছে মালিকরাচকরিয়ায় ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকক্সবাজার শংকরমঠ ও মিশনের সভা অনুষ্ঠিত

দেবী দুর্গার আগমনে ব্যস্ত কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরা

cox-pic-20-09-2016.jpg

প্রতিমা নির্মাণে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পী

অজিত কুমার দাশ হিমু :

ক’দিন বাদেই মহালয়ার মধ্যদিয়ে দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে মর্তলোকে। শুরু হবে ২৫ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমী তিথিতে দেবীর বোধনের মধ্যমে শারদীয় দুর্গোৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরা। পরম যত্নে মূর্তিগুলোতে অবয়ব দিতে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। এবারের পূজাকে আরো রঙিন করে তুলতে অপরূপ সুন্দর সব প্রতিমা তৈরি করছেন তারা।

এখন চলছে খড় আর কাদা মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির প্রাথমিক কাজ। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম করেও সঠিক পারিশ্রমিক না পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করেন মৃৎশিল্পীরা। তাই ইতোমধ্যে অনেকই বাপ-দাদার এ পেশা বদলে অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে আর্থিকভাবে লাভবান না হলেও পৈত্রিক পেশা ধরে রাখতে এ কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিমা তৈরির শিল্পীরা।

কক্সবাজারের মৃত শিল্পী মিল্টন ভট্টচার্য্য জানান, নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে এইভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পরবর্তীতে আমাদের সন্তানদের একাজ করতে দেওয়া যাবে না। কারণ হলো বর্তমান যে যুগ, জিনিস পত্রের দাম বেশী। কিন্তু আমরা সেভাবে মূল্য পাচ্ছি না। তার অভিযোগ বর্তমানে কাচাঁমালের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিমা তৈরি করে খুব একটা লাভবান হতে পারছেন না মৃৎ শিল্পীরা।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি এডভোকেট রনজিত দাশ জানালেন, আসন্ন দুর্গাপূজার সব ধরনের প্রস্তুতির কাজ চলছে এখন। প্রতিমা তৈরির কারিগরদের পাশাপাশি পূজায় সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রশাসন।

জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ উৎসব। এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন উৎসব। নিরাপত্তার ব্যাপারে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চাওয়া হবে।

এ উৎসব জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের। এ উৎসবে সকলকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে অংশ গ্রহন করার জন্য আহবান জানান তিনি। এবার দেবীর আগমন নৌকায় আর প্রস্থান হবে ঘোড়া বাহনে চড়ে।

PinIt
Top