শিরোনামঃ
পেকুয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হল নিহত মানিকের মরদেহমহেশখালীতে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসী জাম্বু নিহত, অস্ত্র উদ্ধারসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বার্থে রংপুরের প্রকৃত ঘটনার উদঘাটন করতে হবে–অধ্যাপক চন্দনদৈনিক পূর্বকোণ সম্পাদকের মৃত্যুতে শোকরামুতে অপহৃত যুবক রুবেল দশ ঘন্টার পর উদ্বারভূমিদস্যুদের খুঁটির জোর কোথায়? কালারমারছড়া-শাপলাপুর সড়কে বালি লুট থামানো যাচ্ছেনা!ধম্মকায়া ফাউন্ডেশনের সাথে বৌদ্ধ উন্নয়ন সংস্থার মতবিনিময়সংবাদপত্রের অবাধ মত প্রকাশে শেখ হাসিনার সরকার কখনো হস্তক্ষেপ করেনিপেকুয়ায় জমির ফসল লুটপেকুয়ায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় পরীক্ষার্থীসহ আহত-৭পেকুয়ায় অগ্নিকান্ডে আরবশাহ বাজারে ৬ টি দোকান ভস্মীভূতকক্সবাজারে মোবাইল কোর্টের অভিযানে টমটম আটকসন্ত্রাসী কর্তৃক বন্ধ করা দোকানের তালা খুলেছে মালিকরাচকরিয়ায় ফার্মেসিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকক্সবাজার শংকরমঠ ও মিশনের সভা অনুষ্ঠিত

পেকুয়ায় টইটংয়ে রোহিঙ্গা ঠেকাতে মাইকিং, নারীসহ আটক-৩

20170913_133813-1.jpg

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় ২ নারীসহ তিন জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টইটং ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী এদেরকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসেছেন। মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ইউনিয়নের বটতলী খুইন্নাভিটা নামক এলাকা থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা মায়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। তারা তিনজনই একই পরিবারের সদস্য। এ দিকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নে মাইকিং করা হয়েছে। মঙ্গলবার টইটং ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্তে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য এ মাইকিং করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী তার ইউনিয়নে যাতে করে এ পরিস্থিতিতে কোন রোহিঙ্গা আশ্রয় নিতে না পারেন সে বিষয়ে জনগনকে সজাগ থাকতে নির্দেশনা দিয়েছেন মাইকিং এর মাধ্যমে। প্রচার মাইকিং এ বলা হয়েছে মায়ানমারের শরণার্থী রোহিঙ্গা নাগরিকরা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। তাদেরকে পুনর্বাসনের বিষয়টি সরকার নির্ধারণ করছেন। শরনার্থী শিবিরের বাইরে কোন রোহিঙ্গাকে দেশের মুল ভূখন্ডে স্থান দেয়ার প্রশ্নই আসে না। সম্প্রতি মায়ানমারের হত্যাযজ্ঞে রোহিঙ্গারা অধিকহারে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ার কৌশল করছে। টইটং পাহাড় ও সমতল বেষ্টিত এলাকা। পাহাড়ের এ সব স্থানে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে পড়তে পারে। তারা মায়ানমারের নাগরিক। কোন অবস্থায় এ টইটং ইউনিয়নে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটাতে দেওয়া যাবে না। যারা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেবে তারা দেশের স্বার্থের পরিপস্থী হিসেবে বিবেচিত হবে। কোন অবস্থাতেই রোহিঙ্গা প্রশ্রয়দাতাদের ছাড় দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার বিকেলে দুই নারীসহ তিন জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতরা হলেন: মায়ানমারের লেমশি বদলাপা[ড়া ফকিরাবাজার এলাকার মৃত সোলতান আহমদের পুত্র মৌলভী আবদুল হাকিম(৪০), তার শাশুড়ী আবদুল জলিলের স্ত্রী সাজেদা বেগম(৫০), সাজেদা বেগমের অবিবাহিত মেয়ে নুর করিমা(১৬)। আটককৃত রোহিঙ্গারা জানায়, তারা আগস্টের শেষের দিকে মায়ানমার থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়ে। কুতুপালং শরনার্থী শিবিরে তারা আশ্রয় নিয়েছেন। বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নুরুল আলম প্রকাশ ভেড়া মলয় নামের একজন মৌলভী তাদেরকে টইটং এ নিয়ে এসেছেন। সাজেদা বেগমের মেয়ে নুর করিমাকে বিয়ে করার কথা ছিল। মেয়েকে জামাই দিতে মা সাজেদা বেগম ও ভগ্নিপতি মৌলভী আবদুল হালিম টইটং এ আসেন। বিয়ের জন্য জামাকাপড় ক্রয় করা হয়েছে। মেয়ে কুমারী তবে বরের বয়স ৫০ এর উর্ধে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হয়। তারা এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবগত করে। চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানায়, এদেরকে আটক করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আরও বেশ কিছু রোহিঙ্গা টইটং এ আশ্রয় নেওয়ার খবর পেয়েছি। বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে তাদেরকেও আটক করা হবে। সবাইকে এক যোগে শরণার্থী ক্যাম্পে প্রেরণ করা হবে। মাইকিং করেছি কোন অবস্থায় রোহিঙ্গাদের আমাদের টইটং এ প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দেবে তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে যাদেরকে আটক করা হয়েছে এদেরকে যারা নিয়ে এসেছে ক্যাম্পে প্রেরনের যে অর্থ ব্যয় হবে এর ব্যয়ভার বহন করবে তারা।

PinIt
Top