শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের ৮৫% শিশুই বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্তসেই ‘পুলিশের ভিক্ষুক মায়ে’র দায়িত্ব নিতে চান এসআই বশিরআজ শুভ মহালয়া : চণ্ডীপাঠে দেবী দুর্গাকে আবাহনআঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যতায় জনস্রোতে মিশে যাচ্ছে রোহিঙ্গারাকোন সতর্কবার্তায় আমরা ভীত নই –সুচিরোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে ব্রিটেন-ফ্রান্সের আহবানরোহিঙ্গাদের দূদর্শার কারণ আরসা বা আল ইয়াকিনবাংলাদেশকে সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমাররোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে আমার দেশের মানুষ —প্রধানমন্ত্রীরোহিঙ্গারা পাহাড় কাটায় অপূরণীয় ক্ষতিতে কক্সবাজারদেবী দুর্গার আগমনে ব্যস্ত কক্সবাজারের মৃৎ শিল্পীরাপিতৃপক্ষের অবসানে দেবীপক্ষের শুভ সূচনাজেলা হিন্দু পরিষদের সম্পাদকের মাতার মৃত্যুতে শোকনতুন অফিস বাজারে সাব ইজারাদারদের দৌরাত্ম ॥ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনাপেকুয়ায় গাঁজাসহ নারী আটক

পেকুয়া শিলখালীর পাহাড়ে রোহিঙ্গা পরিবার

rohingya1125.jpg

ফাইল ছবি

পেকুয়া প্রতিনিধি :
মায়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকরা পেকুয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। শিলখালীর কাচারীমোড়া পাহাড়ে বসবাস করছে মায়ানমারের পরিবার। লম্বামোড়া নামক স্থানে রোহিঙ্গা একটি পরিবার বসতি স্থাপন করেছে। তারা ২/৩ মাস আগে থেকে শিলখালীতে এসে স্বপরিবারে অবস্থান নিয়েছে। জায়গা ক্রয় করেছে স্থানীয় পাহাড় দখলদারদের কাছ থেকে। নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্প মুলে প্রায় ৬ শতক পাহাড়ি জায়গা ক্রয় করে বার্মাইয়া এ পরিবারটি। তারা রোহিঙ্গা নাগরিক। তবে পরিচয় দিচ্ছেন টেকনাফের বাসিন্দা বলে। মনোয়ারা বেগম নামের এক মহিলা ওই জায়গায় বসতি স্থাপন করছেন। তার স্বামী ওমর ফারুক মালয়েশিয়ায় থাকেন। মনোয়ারা ও তার অপর বোন ডালিয়া কাচারীমোড়ার ষ্টেশনের পূর্ব পাশের্^ লম্বামোড়ায় এসে জায়গা ক্রয় করে ঘর নির্মাণ করে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন। দুইবোনের স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী। তবে সাগরপথে দুইবোনের জামাই মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন। স্বামী মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় দুইবোন পেকুয়াতে জায়গা ক্রয় করেছেন। ডালিয়া কক্সবাজারের লিংকরোডে পৃথক জায়গা ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা জানায়, কসাইপাড়ার জুবাইদা নামের এক মহিলা মায়ানমারের নাগরিকের সাথে বিবাহ হয়। জুবাইদার স্বামী রোহিঙ্গা নাগরিক মনোয়ারার ভাই। এ সুবাধে তারা পেকুয়াতে ঢুকে পড়ে। স্থানীয়রা আরো জানায়, বিএনপি ও জামায়াতের কিছু প্রভাবশালীদের সাথে রোহিঙ্গা ওই মহিলার সম্পর্ক রয়েছে। এদের ছত্রছায়ায় রোহিঙ্গা এ পরিবারটি কাচারীমোড়ায় বসবাস করছে। জয়নাল আবেদীন নামের স্থানীয় এক যুবক তাদের নেপথ্যে সহায়তা করছে। পেকুয়ার বিভিন্ন প্রান্তে রোহিঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়াঘোনা, রাইবাপেরপাড়া, মিয়ারপাড়া, সদর ইউনিয়নের চৈড়ভাঙ্গা এলাকায় বেশ কিছু পরিবারে রোহিঙ্গারা আশ্রয় নিয়েছে বলে স্থানীয়রা গোপন সুত্রে নিশ্চিত করেছে।

PinIt
Top